সকালে খালি পেটে কিছু খাবার খাওয়া ঠিক নয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। অনেক সময়েই আমরা না জেনে খালিপেটে এসব খাবার খেয়ে ফেলি।
যেসব খাবার
রান্না করা খাবারের চেয়ে অনেকেই এখন প্যাকেটজাত খাবার, রেডিমেড মিল বা ফাস্টফুডের ওপর বেশি নির্ভরশীল।
শীতের সময়ে ছোট দিন আর দীর্ঘ রাত অনেকের মনেই এক ধরনের বিষণ্নতা তৈরি করে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘সিজনাল অ্যাফেক্টিভ ডিসঅর্ডার’ (এসএডি) বা শীতকালীন অবসাদ। সূর্যালোকের অভাব আর শরীরে হরমোনের পরিবর্তনের কারণে এই সময়ে মন খারাপ বা অস্থিরতা বাড়া স্বাভাবিক।
শীতের হিমেল হাওয়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ঘরে ঘরে এখন সর্দি-কাশি আর জ্বরের প্রকোপ। এই সময় নিজেকে সুস্থ রাখতে কেবল গরম কাপড় পরলেই হবে না, বরং ভেতর থেকে শরীরকে উষ্ণ ও রোগমুক্ত রাখা জরুরি। বিশেষ করে সকালের খাবারে যদি সঠিক পুষ্টি থাকে, তবে তা সারা দিনের কাজের শক্তি জোগানোর পাশাপাশি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকেও শক্তিশালী করে।
রাতে লম্বা সময় না খেয়ে থাকার কারণে সকালে ক্ষুধা লাগে। ঘুমের পর শরীরের শক্তিও কমে যায়। তাই স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খাওয়া উচিত সকালেই।
পেট খারাপ হলে অনেক আগে থেকে কাঁচকলার তরকারি বা শিং মাছের ঝোল খাওয়ার পরামর্শ দেওয়ার প্রচলন আছে। কলায় থাকা উপাদান আর মাছে থাকা প্রোটিন দুটোই শরীরের দুর্বলতা কাটাতে সাহায্য করে।
আমরা অনেকে ক্যালসিয়ামের অভাব হাড়ে হাড়ে টের পাই। সিঁড়ি ভাঙতে গেলে, একটু হাঁটাহাটি করতে গেলে কুঁকড়ে উঠি ব্যথায়, পা আর চলে না।
খাবারে থাকা নানা রকম পুষ্টিকর উপাদান শরীরকে ভেতর থেকে সুস্থ রাখে। কী খাচ্ছেন সেটা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমন কখন খাচ্ছেন সেটা আরও বেশি জরুরি।
তীব্র গরমে অতিষ্ট মানুষ। গরমের পাশাপাশি রয়েছে ব্যস্ততা। যতই দিন যাচ্ছে, ততই মানুষের ব্যস্ততা বাড়ছে। সারাদিনের কাজের চাপ, ব্যস্ততার কারণে শরীরে ক্লান্ত লাগাটাই স্বাভাবিক। নিজেকে সুস্থ রাখতে তাই ব্যায়ামের পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসের দিকে নজর দেওয়া জরুরি।
ক্যালসিয়াম মানব শরীরের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান, যা হাড় ও দাঁতের গঠনে এবং পেশি ও স্নায়ুর কার্যকারিতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ক্যালসিয়ামের অভাব হলে হাড় দুর্বল হয়ে যায়, দাঁতের সমস্যা দেখা দেয় এবং পেশির সংকোচন ও নার্ভের কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে।