হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা গ্রহণের সময় অনেকেই একটি প্রশ্ন করেন-ওষুধের পাশাপাশি কি সব ধরনের খাবার খাওয়া যায়?
যেসব খাবার
বর্ষাকাল মানেই প্রকৃতিতে স্বস্তির ছোঁয়া। গরম কমে আসে, চারপাশে সবুজের সমারোহ দেখা যায়। তবে এই সময় আর্দ্রতা বেড়ে যাওয়ায় ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও ছত্রাকও দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
কোরবানির ঈদ হোক কিংবা পারিবারিক দাওয়াত; মাংসের নানা লোভনীয় পদ সামনে এলে একটু বেশি খেয়ে ফেলা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু আনন্দের সেই খাওয়াদাওয়ার পরই অনেকের শরীরে শুরু হয় অস্বস্তি।
কোরবানির ঈদ হোক কিংবা পারিবারিক দাওয়াত; মাংসের নানা লোভনীয় পদ সামনে এলে একটু বেশি খেয়ে ফেলা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার।
সকালে খালি পেটে কিছু খাবার খাওয়া ঠিক নয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। অনেক সময়েই আমরা না জেনে খালিপেটে এসব খাবার খেয়ে ফেলি।
রান্না করা খাবারের চেয়ে অনেকেই এখন প্যাকেটজাত খাবার, রেডিমেড মিল বা ফাস্টফুডের ওপর বেশি নির্ভরশীল।
শীতের সময়ে ছোট দিন আর দীর্ঘ রাত অনেকের মনেই এক ধরনের বিষণ্নতা তৈরি করে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘সিজনাল অ্যাফেক্টিভ ডিসঅর্ডার’ (এসএডি) বা শীতকালীন অবসাদ। সূর্যালোকের অভাব আর শরীরে হরমোনের পরিবর্তনের কারণে এই সময়ে মন খারাপ বা অস্থিরতা বাড়া স্বাভাবিক।
শীতের হিমেল হাওয়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ঘরে ঘরে এখন সর্দি-কাশি আর জ্বরের প্রকোপ। এই সময় নিজেকে সুস্থ রাখতে কেবল গরম কাপড় পরলেই হবে না, বরং ভেতর থেকে শরীরকে উষ্ণ ও রোগমুক্ত রাখা জরুরি। বিশেষ করে সকালের খাবারে যদি সঠিক পুষ্টি থাকে, তবে তা সারা দিনের কাজের শক্তি জোগানোর পাশাপাশি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকেও শক্তিশালী করে।
রাতে লম্বা সময় না খেয়ে থাকার কারণে সকালে ক্ষুধা লাগে। ঘুমের পর শরীরের শক্তিও কমে যায়। তাই স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খাওয়া উচিত সকালেই।
পেট খারাপ হলে অনেক আগে থেকে কাঁচকলার তরকারি বা শিং মাছের ঝোল খাওয়ার পরামর্শ দেওয়ার প্রচলন আছে। কলায় থাকা উপাদান আর মাছে থাকা প্রোটিন দুটোই শরীরের দুর্বলতা কাটাতে সাহায্য করে।